সাবিনার মেয়ের বেবি ফ্রক তৈরির জন্য দেহের প্রয়োজনীয় মাপ- ঝুল-৪৫.৭২ সেন্টিমিটার, বুক-৫৫.৮৮ সেন্টিমিটার এবং পুট-১১.৪৩ সেন্টিমিটার।
ড্রাফটিং এর জন্য প্রথমে পুটের মাপের সাথে ১.২৭ সে.মি. যোগ করে কঘ রেখা টানতে হবে। অতঃপর বুকের ১/৪ অংশের সাথে ২.৫৪ সে.মি. যোগ করে কখ রেখা টানতে হবে। খ বিন্দু হতে বুকের ১/৪ অংশের সাথে ঢিলা এর জন্য ৬.৩৫ সে.মি. এবং সেলাই এর জন্য ১.২৭ সে.মি. যোগ করে ২১.৫৯ সে.মি. (১৩.৯৭সে.মি. + ৬.৩৫ সে.মি. + ১.২৭সে.মি.)
দূরে ঝ বিন্দু নির্ধারণ করতে হবে। এবার খ ঝ যোগ করে খঝ রেখার ওপর কখগঘ আয়তক্ষেত্র তৈরি করতে হবে। এরপর সম্পূর্ণ ঝুলের সাথে নিচে হেমের জন্য ১.২৭ সে.মি. এবং সেলাই এর জন্য ১.২৭ সে.মি. যোগ দিয়ে (৪৫.৭২+১.২৭+১.২৭) কখ রেখাকে ক বিন্দু হতে ৪৮.২৬ সে.মি. নিচ পর্যন্ত বাড়িয়ে কত রেখা আঁকতে হবে। এবার ঝখতথ আয়তক্ষেত্র অঙ্কন করতে হবে। ঘেরের জন্য থ বিন্দু থেকে প্রায় ৪ সে.মি. দূরে ট বিন্দু দিয়ে ঝট যোগ করে শেইপকাঁট দিয়ে সুন্দরভাবে চিত্রের ন্যায় থ ঠ রেখা বরাবর শেইপ করতে হবে। গলার চওড়া নির্ধারণের জন্য ক বিন্দু থেকে বুকের ১/১২ অংশ = ৪.৬ সে.মি. দূরে ঙ বিন্দু শনাক্ত করতে হবে। পেছনের গলার গভীরতার জন্য ক বিন্দু হতে ১.২৭ সে.মি. নিচে ঞ বিন্দু শনাক্ত করে ঙ ঞ গোল করে যোগ করতে হবে। এখন সামনের গলার শেইপ তৈরি করার জন্য ক বিন্দু হতে বুকের ১/৮ অংশ নিচে জ বিন্দু শনাক্ত করে ঙ থেকে জ গোল করে যোগ করতে হবে। গলার শেইপ পছন্দমতো আরও গভীর করা যেতে পারে। এরপর ঘ বিন্দু থেকে ১.২৭ সে.মি. নিচে চ বিন্দু শনাক্ত করে ঙ চ যোগ করতে হবে। বগলের শেইপের জন্য গ চ রেখার মধ্যবিন্দু ছ শনাক্ত করে ছ ঝ বিন্দু বাঁকাভাবে যোগ করলে পিছনের বগলের শেইপ তৈরি হবে। সামনের বগল পিছনের বগল হতে ১.২৭ সে.মি. বেশি গভীর হবে।
Related Question
View Allসমতল কাগজে পোশাকের নমুনা আঁকা হয়।
পোশাক তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় হলো ড্রাফটিং। কোনো পোশাক তৈরি করতে গেলে প্রথমে একটি নমুনা আঁকা হয়। একে মূল নকশা বা মূল ড্রাফট বলে। এরপর মূল নকশাকে ভিত্তি করে দেহের মাপ অনুযায়ী সমতল কাগজে যে চূড়ান্ত নকশা আঁকা হয় তাকেই বলে প্যাটার্ন ড্রাফটিং।
উদ্দীপকে রোজিনা নির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুযায়ী কাপড় ছেঁটে শিশুর পোশাকটি উপযোগী করে তৈরি করতে পারতো।
পোশাক সুন্দর ও মানানসই করার জন্য প্রয়োজন সঠিকভাবে দেহের মাপ নেয়া। দেহের মাপ সঠিক না হলে পোশাক পরিধানের উপযোগী হয় না।
রোজিনা প্রশিক্ষণ গ্রহণের পর তিন বছরের শিশুর জন্য ফতুয়া তৈরি করার জন্য কাপড় কিনে। সে শিশুটির কাঁধের মাপের ১/৩ অংশ, বুকের মাপের ১/২ অংশ মাপ নিয়ে কাপড়টি কেটে ফেলে। পোশাকটি তৈরি করার পর শিশুটিকে ফতুয়া পরানোর চেষ্টা করলে তা গায়ে ঢোকে না। কারণ ফতুয়া বানানোর জন্য প্রথমে পরিকল্পনা অনুসারে কাপড়ের পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে। পরে নির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুযায়ী কাপড়টি ছেঁটে সেলাই করতে হবে। একটি ৩ বছরের শিশুর ফতুয়া তৈরির জন্য প্রয়োজন ১ গজ কাপড়। ফতুয়া তৈরির সময় পিন দিয়ে কাপড়টি আটকাতে হবে। এরপর নকশা অনুযায়ী কাপড় ছাঁটতে হবে। কাপড়টি ছাঁটার পর পেছনের অংশ আলাদা করে সামনের অংশের বগলের শেইপ ও গলা ছেঁটে সেলাই করতে হবে। তাই বলা যায়, নির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুযায়ী কাপড় হেঁটে রোজিনা তার শিশুর পোশাকটি উপযোগী করে তৈরি করতে পারতো।
পোশাকটি তৈরিতে রোজিনার ত্রুটি ছিল।
রোজিনার প্রথম ত্রুটি ছিল যে সে কোনো ড্রাফটিং করে নেয় নি। অথচ যেকোনো পোশাক তৈরির প্রথম ধাপ হলো মূল নকশার পরিকল্পনা করে কাপড়ে ড্রাফটিং করা। এরপর কাপড় ছাঁটাই করা। কাপড়কে সঠিক পদ্ধতিতে ভাঁজ করে তার উপর ড্রাফটিং এর কাগজ রেখে পিন দিয়ে আটকিয়ে নিতে হবে। এরপর নকশা অনুযায়ী কাপড় ছাঁটতে হবে। এছাড়া রোজিনা শিশুটির কাঁধের ও বুকের যে মাপ নেয় তাতেও ত্রুটি ছিল। ৩ বছরের শিশুর ফতুয়ার ক্ষেত্রে কাঁধের মাপের অর্ধেক ও বুকের মাপের ১/৪ অংশের মাপ নিয়ে কাজ করতে হয়। সেলাই করার মধ্যেও তার ত্রুটি ছিল। সে ফতুয়াটি সেলাই করার সময় পাশে কোনো কাপড় রাখে নি। ফলে যখন কাপড়টি গায়ে ঢুকছিল না তা খুলে ঢিলা করার জন্যও কোনো কাপড় ছিল না।
এ সকল কারণ বিবেচনা করে আমি মনে করি, পোশাকটি তৈরিতে রোজিনার ত্রুটি ছিল।
সমতল কাগজে পোশাকের নমুনা আঁকা হয়।
পোশাক তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় হলো ড্রাফটিং। কোনো পোশাক তৈরি করতে গেলে প্রথমে একটি নমুনা আঁকা হয়। একে মূল নকশা বা মূল ড্রাফট বলে। এরপর মূল নকশাকে ভিত্তি করে দেহের মাপ অনুযায়ী সমতল কাগজে যে চূড়ান্ত নকশা আঁকা হয় তাকেই বলে প্যাটার্ন ড্রাফটিং।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!